পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, বসিরহাটের উদ্যোগে 25 শে মে, 2024 যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো কবি নজরুলের জন্মবার্ষিকী।

27th May 2024 11:26 am স্থানীয় খবর
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, বসিরহাটের উদ্যোগে 25 শে মে, 2024 যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো কবি নজরুলের জন্মবার্ষিকী।


অগ্নিবীণা হাতে তাঁর প্রবেশ ;ধূমকেতুর মতো তাঁর অবস্থান। সাম্যর কবি, স্বাধীনতার কবি, প্রেমের কবি, প্রকৃতির কবি,সর্বোপরি সম্প্রীতির কবি। কবি নজরুল। বিশিষ্ট সাহিত্যিক শ্রী প্রমথনাথ চৌধুরী তাঁকে আখ্যায়িত করেন "বিদ্রোহী "  নামে। বাঙালির চিরন্তন বিদ্রোহী সত্তার অগ্নিহোত্রী । 
           
                       à¦à¦¬à¦›à¦° পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, বসিরহাটের উদ্যোগে 25 শে মে, 2024 যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো কবি নজরুলের জন্মবার্ষিকী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন - মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক শ্রীমতি রমারানী দত্ত ও ঐ দপ্তরের কর্মী সায়ন ঘোষাল,তপন সাহা ,প্রমিত মণ্ডল, সুমিত কুমার সরকার প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শ্রী মহাদেব পাত্র ও বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্রী পরিমল দে, নজরুলপ্রেমী ব্যক্তিবর্গ এবং ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ ।

            উপস্থিত ছিলেন সিঞ্চন বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশিষ্ট শিক্ষক এবং ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীন সি.সি.আর. টি. (CCRT) এর ডিস্ট্রিক্ট রিসোর্স পার্সন।

"অঞ্জলি লহ মোর, সংগীতে..." এই আপ্তবাক্যকে পাথেয় করে, নজরুলগীতি  ও কবিতার মাধ্যমেই যথোচিত শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হলো এই অগ্নিপুরুষকে যিনি সারাজীবন ধরে গেয়েছেন :

" সিক্ত যাদের সারা দেহ মন, মাটির মমতারসে, / এই ধরণীর তরণীর হাল রবে তাহাদেরই বশে "।





Others News

তিতুমীরের নাম মুছে শ্যামাপ্রসাদ ভবন, পরিচয় বদল ঘিরে বিতর্ক

তিতুমীরের নাম মুছে শ্যামাপ্রসাদ ভবন, পরিচয় বদল ঘিরে বিতর্ক


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: খাতায় কলমে সরকারি সভাকক্ষ। অথচ একটি অনুষ্ঠানের মধ্যেই বদলে গেল সবকিছু! উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের দীর্ঘদিনের ‘তিতুমীর সভাকক্ষ’-র নাম মুছে দিয়ে লেখা হল  ‘শ্যামাপ্রসাদ ভবন’। অভিযোগ, সভাকক্ষের দেওয়াল থেকে তিতুমীরের ছবি নামিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবি টাঙানো হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। বুধবার সংগঠনের অখণ্ড ভারত সংকল্প সপ্তাহের অনুষ্ঠান ছিল জেলা পরিষদের সভাকক্ষে। সেই অনুষ্ঠানে ‘বদলে গেল’ সরকারি সভাকক্ষের পরিচয়। বদলের পরেই সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন— জেলা পরিষদের সরকারি ভবনে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুমতি কে দিল? উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ তৈরি হয় ১৯৮৬ সালের ২৬ জুন। পরে গঠিত হয় জেলা পরিষদ। তখন থেকেই সভাকক্ষটির নাম তিতুমীর সভাকক্ষ। নামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মানুষটিও এই জেলার ইতিহাসের অংশ। বাদুড়িয়ার বাসিন্দা সৈয়দ মীর নিসার আলি— ইতিহাসে তিতুমীর। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা, জমিদারদের বিরুদ্ধে কৃষকদের সংগঠিত করা এবং নারকেলবেড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আজও বাংলার ইতিহাসের পরিচিত অধ্যায়। আর সেই তিতুমীরের ছবি সরিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবি টাঙানো ও সভাকক্ষের নতুন নাম ঘোষণা— দুটিই করলেন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা। সংগঠনের নেতা সঞ্জীব মাহাতোর বক্তব্য, রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও হিন্দুদের সামাজিক জয় হয়নি। অখণ্ড ভারত সংকল্প নিয়েই তিতুমীর সভাকক্ষের নাম বদলে শ্যামাপ্রসাদ ভবন করা হয়েছে। এনিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শিল্পা গৌরিসরিয়া বলে, এটা সরকারি সম্পত্তি। কিন্তু কি হয়েছে তা আমার জানা নেই। আমাকে কিছু বলাও হয়নি। এদিকে জেলা পরিষদের সভাপতি নারায়ণ গোস্বামী বলেন, আমি কলকাতায় জরুরি বৈঠকে আছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে বলব।