প্রয়াত বিমল সরকার স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান আয়োজিত হলো গাইঘাটার জয়তারা গ্রামে

26th August 2026 12:31 am স্থানীয় খবর
প্রয়াত বিমল সরকার স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান আয়োজিত হলো গাইঘাটার জয়তারা গ্রামে


গত ২৩ শে আগস্ট রবিবার স্বর্গীয় বিমল সরকার স্মরণে গাইঘাটা বিধানসভার অন্তর্গত জয়তারা ফুটবল মাঠে একটি স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। গত ইংরেজি ৩০ শে জুলাই ২০২৬ তিনি পরলোকগমন করেন। দীর্ঘদিন ধরে ধর্মপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬ নাম্বার পার্টে বিজেপির বুথ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এছাড়াও এই অনুষ্ঠান থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয় বিজেপির প্রয়াত কর্মী কার্তিক বিশ্বাস, শিবশঙ্কর মন্ডল, কৃষ্ণপদ মন্ডল ও মনিমোহন মন্ডল মহাশয় কে।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রয়াত বিজেপি কর্মীদের আত্মার শান্তি কামনায় নীরবতা পালন ও তাদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন গ্রামের সাধারণ মানুষরা। এরপর সংগীত পরিবেশন করেন কমলিকা দেবনাথ ও সায়নী দেবনাথ। প্রয়াত বিমল সরকার ও অন্যান্য কর্মীদের স্মৃতিচারণায় বক্তব্য রাখেন বর্তমান সময়ের বিজেপি কর্মী উত্তম সরকার,পিকিং বিশ্বাস, দেবেন পাল, হাবড়ার বিশিষ্ট বিজেপি নেতা বিপ্লব হালদার প্রমূখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিজেপি কর্মী ও শিক্ষক সঞ্জীব সরকার মহাশয়। এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর মহাশয়। এদিন প্রয়াত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের হাতে বিশেষ উপহার ও বস্ত্র সামগ্রী তুলে দেন মাননীয় বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর মহাশয়। নিউজ রেনেসাঁ বাংলার একটি রিপোর্ট





Others News

তিতুমীরের নাম মুছে শ্যামাপ্রসাদ ভবন, পরিচয় বদল ঘিরে বিতর্ক

তিতুমীরের নাম মুছে শ্যামাপ্রসাদ ভবন, পরিচয় বদল ঘিরে বিতর্ক


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: খাতায় কলমে সরকারি সভাকক্ষ। অথচ একটি অনুষ্ঠানের মধ্যেই বদলে গেল সবকিছু! উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের দীর্ঘদিনের ‘তিতুমীর সভাকক্ষ’-র নাম মুছে দিয়ে লেখা হল  ‘শ্যামাপ্রসাদ ভবন’। অভিযোগ, সভাকক্ষের দেওয়াল থেকে তিতুমীরের ছবি নামিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবি টাঙানো হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। বুধবার সংগঠনের অখণ্ড ভারত সংকল্প সপ্তাহের অনুষ্ঠান ছিল জেলা পরিষদের সভাকক্ষে। সেই অনুষ্ঠানে ‘বদলে গেল’ সরকারি সভাকক্ষের পরিচয়। বদলের পরেই সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন— জেলা পরিষদের সরকারি ভবনে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুমতি কে দিল? উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ তৈরি হয় ১৯৮৬ সালের ২৬ জুন। পরে গঠিত হয় জেলা পরিষদ। তখন থেকেই সভাকক্ষটির নাম তিতুমীর সভাকক্ষ। নামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মানুষটিও এই জেলার ইতিহাসের অংশ। বাদুড়িয়ার বাসিন্দা সৈয়দ মীর নিসার আলি— ইতিহাসে তিতুমীর। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা, জমিদারদের বিরুদ্ধে কৃষকদের সংগঠিত করা এবং নারকেলবেড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আজও বাংলার ইতিহাসের পরিচিত অধ্যায়। আর সেই তিতুমীরের ছবি সরিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবি টাঙানো ও সভাকক্ষের নতুন নাম ঘোষণা— দুটিই করলেন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা। সংগঠনের নেতা সঞ্জীব মাহাতোর বক্তব্য, রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও হিন্দুদের সামাজিক জয় হয়নি। অখণ্ড ভারত সংকল্প নিয়েই তিতুমীর সভাকক্ষের নাম বদলে শ্যামাপ্রসাদ ভবন করা হয়েছে। এনিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শিল্পা গৌরিসরিয়া বলে, এটা সরকারি সম্পত্তি। কিন্তু কি হয়েছে তা আমার জানা নেই। আমাকে কিছু বলাও হয়নি। এদিকে জেলা পরিষদের সভাপতি নারায়ণ গোস্বামী বলেন, আমি কলকাতায় জরুরি বৈঠকে আছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে বলব।